বাংলাদেশ , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ গাজীপুরে বারির কৃষি গবেষণা ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঠাকূরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই-নির্বাচন কমিশনার.। পীরগঞ্জে সিপিবি বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ। দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে চালের ডিও বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। গাইবান্ধায় কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন।
সর্বাধিক পঠিত
রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ গাজীপুরে বারির কৃষি গবেষণা ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঠাকূরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই-নির্বাচন কমিশনার.। পীরগঞ্জে সিপিবি বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ। দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে চালের ডিও বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। গাইবান্ধায় কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ, বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন।

বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে দেশটির সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।
সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সংকটের সমাধান এবং রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যানবাহন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে আঞ্চলিক যোগাযোগের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক যোগাযোগ উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।
মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
এ ছাড়া তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়। প্রকল্পটিতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। দুই দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সফর ও বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রম বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে।
চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
এ সময় এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় চীনের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে চীনা রাষ্ট্রদূত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর অবদান বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন।

Tag :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৬ সময় দৃশ্য

বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

আপডেটের সময় : ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে দেশটির সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।
সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সংকটের সমাধান এবং রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যানবাহন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে আঞ্চলিক যোগাযোগের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক যোগাযোগ উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।
মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
এ ছাড়া তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়। প্রকল্পটিতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। দুই দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সফর ও বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রম বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে।
চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
এ সময় এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় চীনের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে চীনা রাষ্ট্রদূত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর অবদান বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন।