বাংলাদেশ , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সফিপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে ভয়াবহ আগুন, ছয় ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে। ভলান্টিয়ার এওয়ার্ড-২০২৬, যুব সংগঠন আর্থিক অনুদান প্রদান। রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ গাজীপুরে বারির কৃষি গবেষণা ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঠাকূরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই-নির্বাচন কমিশনার.। পীরগঞ্জে সিপিবি বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ। দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে চালের ডিও বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
সর্বাধিক পঠিত
সফিপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে ভয়াবহ আগুন, ছয় ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে। ভলান্টিয়ার এওয়ার্ড-২০২৬, যুব সংগঠন আর্থিক অনুদান প্রদান। রাণীশংকৈলে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার। কালিয়াকৈরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ গাজীপুরে বারির কৃষি গবেষণা ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঠাকূরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই-নির্বাচন কমিশনার.। পীরগঞ্জে সিপিবি বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ। দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে চালের ডিও বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সফিপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে ভয়াবহ আগুন, ছয় ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে।

কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি

(কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি, )

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কারখানার ছয়তলা ভবনের নিচতলায় থাকা স্টোরে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আগুনের খবর পাওয়ার পর প্রথমে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় পরে কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি এবং গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়। মোট ছয়টি ইউনিটের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, বিকেল ৪টা ২২ মিনিটের দিকে কারখানার নিচতলার স্টোরে আগুন দেখা যায়। খবর পাওয়ার পর কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট প্রায় ১২ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পরে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় অতিরিক্ত ইউনিট পাঠানো হয়।
হারবাল সেকশন ও স্টোরে আগুনের সূত্রপাত।
কারখানা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে আগুন কারখানার হারবাল সেকশনসংলগ্ন স্টোর এলাকায় শুরু হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কারখানার ভেতরে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও কারখানার কর্মীরাও প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। পাশের একটি কারখানার নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও কাজে লাগানো হয় বলে জানা যায়।
অগ্নিকাণ্ডের পর কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এতে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
দ্রুত ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আগুনের খবর পাওয়ার পর কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় কোনাবাড়ী ও গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে অতিরিক্ত চারটি ইউনিট পাঠানো হয়।
ফায়ার সার্ভিসের মোট ছয়টি ইউনিট একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিয়ে অপেক্ষা
অগ্নিকাণ্ডের তাৎক্ষণিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকেও প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত ও মূল্যায়নের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রতিবেদনে একজন শ্রমিক আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলা হয়েছে। ফলে আহত বা হতাহতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
কারখানার গুরুত্বপূর্ণ অংশে অগ্নিকাণ্ড
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের সফিপুরের এই স্থাপনায় প্রাকৃতিক ওষুধ উৎপাদন এবং প্রস্তুত পণ্য সংরক্ষণের কার্যক্রম রয়েছে বলে কোম্পানির একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ফলে স্টোর ও উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগুন লাগায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিলেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
তদন্তের অপেক্ষায় আগুনের কারণ
আগুন কীভাবে শুরু হলো—এখন পর্যন্ত তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বৈদ্যুতিক ত্রুটি, যন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
এ ঘটনায় কারখানার অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা এবং নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথভাবে কার্যকর ছিল কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র পেতে আরও সময় লাগবে। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার পরবর্তী তদন্ত ও মূল্যায়নের পরই অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং আর্থিক ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ স্পষ্ট হবে।

Tag :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ৫২ মিনিট আগে
১৪ সময় দৃশ্য

সফিপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে ভয়াবহ আগুন, ছয় ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে।

আপডেটের সময় : ৫২ মিনিট আগে

(কালিয়াকৈর উপজেলা প্রতিনিধি, )

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কারখানার ছয়তলা ভবনের নিচতলায় থাকা স্টোরে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আগুনের খবর পাওয়ার পর প্রথমে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় পরে কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি এবং গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়। মোট ছয়টি ইউনিটের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, বিকেল ৪টা ২২ মিনিটের দিকে কারখানার নিচতলার স্টোরে আগুন দেখা যায়। খবর পাওয়ার পর কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট প্রায় ১২ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পরে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় অতিরিক্ত ইউনিট পাঠানো হয়।
হারবাল সেকশন ও স্টোরে আগুনের সূত্রপাত।
কারখানা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে আগুন কারখানার হারবাল সেকশনসংলগ্ন স্টোর এলাকায় শুরু হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কারখানার ভেতরে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও কারখানার কর্মীরাও প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। পাশের একটি কারখানার নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও কাজে লাগানো হয় বলে জানা যায়।
অগ্নিকাণ্ডের পর কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এতে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
দ্রুত ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আগুনের খবর পাওয়ার পর কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় কোনাবাড়ী ও গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে অতিরিক্ত চারটি ইউনিট পাঠানো হয়।
ফায়ার সার্ভিসের মোট ছয়টি ইউনিট একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিয়ে অপেক্ষা
অগ্নিকাণ্ডের তাৎক্ষণিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকেও প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত ও মূল্যায়নের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রতিবেদনে একজন শ্রমিক আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলা হয়েছে। ফলে আহত বা হতাহতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
কারখানার গুরুত্বপূর্ণ অংশে অগ্নিকাণ্ড
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের সফিপুরের এই স্থাপনায় প্রাকৃতিক ওষুধ উৎপাদন এবং প্রস্তুত পণ্য সংরক্ষণের কার্যক্রম রয়েছে বলে কোম্পানির একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ফলে স্টোর ও উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগুন লাগায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিলেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
তদন্তের অপেক্ষায় আগুনের কারণ
আগুন কীভাবে শুরু হলো—এখন পর্যন্ত তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বৈদ্যুতিক ত্রুটি, যন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
এ ঘটনায় কারখানার অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা এবং নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথভাবে কার্যকর ছিল কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র পেতে আরও সময় লাগবে। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার পরবর্তী তদন্ত ও মূল্যায়নের পরই অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং আর্থিক ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ স্পষ্ট হবে।